পেঁয়াজের উপকারিতা
পেঁয়াজের উপকারিতা
রান্না ছাড়াও পেয়াজ দিয়ে আপনি আরো চমকপ্রদ সুবিধা পেতে পারেন। জেনে নিন পেঁয়াজ দিয়ে আরো কী কী করা যায় ।
【1】 আগুনে পুড়ে গেলে ।
দুর্ঘটনাবশত বা অসাবধানতায় হাত বা শরীরের অন্য কোনো অংশ আগুনে দগ্ধ হলে পেঁয়াজের সম্মুখটা কেটে নিয়ে, দগ্ধ অংশে পেয়াঁজ ঘষুন। এতে শুধু যে ব্যথা কমবে তাই নয়, পাশাপাশি দাগ প্রতিরোধ এবং রোগ সংক্রমণের ঝুঁকিও কমবে।
【2】 ডেটক্স ।
পেঁয়াজ ব্যাকটেরিয়া শোষণ করতে পারে। তাই যেকোনো স্থানে পেঁয়াজ স্লাইস করে কেটে ছড়িয়ে রাখলে তা রোগ সংক্রমণ এবং হাঁচি-কাশির মতো বায়ুবাহিত রোধ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
【3】 পোকামাকড়ের কামড় দিলে ।
শরীরে পোকামাকড়ের কামড়ের আক্রান্ত স্থানে পেঁয়াজ ঘষুন। কারণ পোকামাকড়ের বিষ থেকে সৃষ্ট ব্যথা ও ফোলা কমাতে বেশ কার্যকরী পেঁয়াজ।
【4】 কানে ব্যথা বা কান কটকট করলে ।
শুধু শরীরের পোড়া স্থানে এবং পোকামাকড়ের কামড়ের স্থানেই নয়, বরঞ্চ কর্ণশূল নিরাময়েও পেঁয়াজ দারুণ কাজ করে। কান কটকট বা কানের ব্যথার ক্ষেত্রে, পেঁয়াজের একটা ছোট টুকরো কানের মধ্যে রাখুন, এতে আপনার কানের মধ্যে থাকা মোম গলে যাবে এবং ব্যথা কমাবে।
【5】 জ্বরের ক্ষেত্রে ।
শরীরে যদি জ্বর জ্বর ভাব অনুভব করেন, তাহলে ঘুমানোর সময় পায়ে মোজা পরে মোজার মধ্যে পেঁয়াজের স্লাইস করে কাটা টুকরো রেখে দিন। বিস্ময়করভাবে এতে জ্বর কমে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
【6】 গলাব্যথার ক্ষেত্রে ।
পেঁয়াজের খোসা গরম পানিতে সেদ্ধ করে, সেই পানি খেলে গলাব্যথা কমতে পারে। যখনই আপনি গলাব্যথায় ভুগছেন, তখনই এই পেঁয়াজ চা খেতে পারেন।
【7】 শলা, কাঁটা বা অন্যকিছু বিদ্ধ হলে ।
অসাবধানতায় হাতের আঙুলে বা পায়ের পাতায় কোনো শলা বা কাঁটা অন্যকিছু বিদ্ধ হলে, তা অনেক সময় বের করাটা খুব যন্ত্রণাদায়ক হয়ে ওঠে। সে ক্ষেত্রে অর্ধেক কাটা পেঁয়াজ, ব্যান্ডেজ দিয়ে পেঁচিয়ে ওই স্থানে ঘণ্টাখানেক রেখে দিলে, বিদ্ধ জিনিসটি বের করাটা সহজ হয়।
【8】 ত্বকে কালো দাগ দূর করতে ।
হলুদের সঙ্গে পেঁয়াজের রস মিশিয়ে ত্বকে লাগালে, তা ত্বকের কালো দাগ দূর করে এবং ত্বকের স্বাভাবিক রং বজায় রাখতে সাহায্য করে।
【9】 অনিয়মিত মাসিক হলে ।
পেঁয়াজ ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে। এমনকি মাসিকের বাধাও দূর করে। মাসিক চক্র শুরু হওয়ার আগে কিছুদিন কাঁচা পেঁয়াজ খেয়ে দেখুন, আপনি একমত হবেন।
【10】 আক্কেল দাঁত ব্যথার ক্ষেত্রে ।
আক্কেল দাঁত ব্যথা কমাতে পেঁয়াজের টুকরা খেয়ে দেখতে পারেন বা ব্যথার স্থানে পেঁয়াজের ফালি রেখে দিতে পারেন। এ ছাড়া পেঁয়াজের রস আক্রান্ত স্থানে মালিশ করেও দেখতে পারেন। ব্যথা কমে যাবে।
【1】 আগুনে পুড়ে গেলে ।
দুর্ঘটনাবশত বা অসাবধানতায় হাত বা শরীরের অন্য কোনো অংশ আগুনে দগ্ধ হলে পেঁয়াজের সম্মুখটা কেটে নিয়ে, দগ্ধ অংশে পেয়াঁজ ঘষুন। এতে শুধু যে ব্যথা কমবে তাই নয়, পাশাপাশি দাগ প্রতিরোধ এবং রোগ সংক্রমণের ঝুঁকিও কমবে।
【2】 ডেটক্স ।
পেঁয়াজ ব্যাকটেরিয়া শোষণ করতে পারে। তাই যেকোনো স্থানে পেঁয়াজ স্লাইস করে কেটে ছড়িয়ে রাখলে তা রোগ সংক্রমণ এবং হাঁচি-কাশির মতো বায়ুবাহিত রোধ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
【3】 পোকামাকড়ের কামড় দিলে ।
শরীরে পোকামাকড়ের কামড়ের আক্রান্ত স্থানে পেঁয়াজ ঘষুন। কারণ পোকামাকড়ের বিষ থেকে সৃষ্ট ব্যথা ও ফোলা কমাতে বেশ কার্যকরী পেঁয়াজ।
【4】 কানে ব্যথা বা কান কটকট করলে ।
শুধু শরীরের পোড়া স্থানে এবং পোকামাকড়ের কামড়ের স্থানেই নয়, বরঞ্চ কর্ণশূল নিরাময়েও পেঁয়াজ দারুণ কাজ করে। কান কটকট বা কানের ব্যথার ক্ষেত্রে, পেঁয়াজের একটা ছোট টুকরো কানের মধ্যে রাখুন, এতে আপনার কানের মধ্যে থাকা মোম গলে যাবে এবং ব্যথা কমাবে।
【5】 জ্বরের ক্ষেত্রে ।
শরীরে যদি জ্বর জ্বর ভাব অনুভব করেন, তাহলে ঘুমানোর সময় পায়ে মোজা পরে মোজার মধ্যে পেঁয়াজের স্লাইস করে কাটা টুকরো রেখে দিন। বিস্ময়করভাবে এতে জ্বর কমে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
【6】 গলাব্যথার ক্ষেত্রে ।
পেঁয়াজের খোসা গরম পানিতে সেদ্ধ করে, সেই পানি খেলে গলাব্যথা কমতে পারে। যখনই আপনি গলাব্যথায় ভুগছেন, তখনই এই পেঁয়াজ চা খেতে পারেন।
【7】 শলা, কাঁটা বা অন্যকিছু বিদ্ধ হলে ।
অসাবধানতায় হাতের আঙুলে বা পায়ের পাতায় কোনো শলা বা কাঁটা অন্যকিছু বিদ্ধ হলে, তা অনেক সময় বের করাটা খুব যন্ত্রণাদায়ক হয়ে ওঠে। সে ক্ষেত্রে অর্ধেক কাটা পেঁয়াজ, ব্যান্ডেজ দিয়ে পেঁচিয়ে ওই স্থানে ঘণ্টাখানেক রেখে দিলে, বিদ্ধ জিনিসটি বের করাটা সহজ হয়।
【8】 ত্বকে কালো দাগ দূর করতে ।
হলুদের সঙ্গে পেঁয়াজের রস মিশিয়ে ত্বকে লাগালে, তা ত্বকের কালো দাগ দূর করে এবং ত্বকের স্বাভাবিক রং বজায় রাখতে সাহায্য করে।
【9】 অনিয়মিত মাসিক হলে ।
পেঁয়াজ ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে। এমনকি মাসিকের বাধাও দূর করে। মাসিক চক্র শুরু হওয়ার আগে কিছুদিন কাঁচা পেঁয়াজ খেয়ে দেখুন, আপনি একমত হবেন।
【10】 আক্কেল দাঁত ব্যথার ক্ষেত্রে ।
আক্কেল দাঁত ব্যথা কমাতে পেঁয়াজের টুকরা খেয়ে দেখতে পারেন বা ব্যথার স্থানে পেঁয়াজের ফালি রেখে দিতে পারেন। এ ছাড়া পেঁয়াজের রস আক্রান্ত স্থানে মালিশ করেও দেখতে পারেন। ব্যথা কমে যাবে।
【11】 কৃমি সমস্যায় ।
কৃমির সঙ্গে যুদ্ধ করতে পেঁয়াজের রস উপকারী। কৃমির সমস্যা থাকলে পেঁয়াজের রস খেতে পারেন।
【12】 চুল ঝরা কমাতে ।
পেঁয়াজের মধ্যে থাকা সালফার শুধু মাথার ত্বকে রক্ত সংবহনই উন্নত করে তা নয়, এর পাশাপাশি চুলে যথেষ্ট পুষ্টিও জোগায়। চুলকে শক্তিশালী করে চুল ঝরা রোধ করে। পেঁয়াজের অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ মাথার খুলিতে রোগ সংক্রমণও প্রতিরোধ করে।
কৃমির সঙ্গে যুদ্ধ করতে পেঁয়াজের রস উপকারী। কৃমির সমস্যা থাকলে পেঁয়াজের রস খেতে পারেন।
【12】 চুল ঝরা কমাতে ।
পেঁয়াজের মধ্যে থাকা সালফার শুধু মাথার ত্বকে রক্ত সংবহনই উন্নত করে তা নয়, এর পাশাপাশি চুলে যথেষ্ট পুষ্টিও জোগায়। চুলকে শক্তিশালী করে চুল ঝরা রোধ করে। পেঁয়াজের অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ মাথার খুলিতে রোগ সংক্রমণও প্রতিরোধ করে।
চুল ঝরা কমাতে পেয়াজের রস ।
চুল পড়া নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করেও কূল পাচ্ছেন না! শীতের শেষে পাতাঝরা গাছের মতো প্রতিদিনই পড়ছে চুল। কপালে চিন্তার ভাঁজ। রাতে হচ্ছে না ঘুম। চুল পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে গিয়ে চুল পড়ছে আরও বেশি!
চুল পড়া নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করেও কূল পাচ্ছেন না! শীতের শেষে পাতাঝরা গাছের মতো প্রতিদিনই পড়ছে চুল। কপালে চিন্তার ভাঁজ। রাতে হচ্ছে না ঘুম। চুল পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে গিয়ে চুল পড়ছে আরও বেশি!
চুল পড়া কমাতে চেষ্টার কমতি নেই। অ্যালোপ্যাথি থেকে হোমিওপ্যাথি, ইউনানি এমনকি আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের কাছেও ধরনা দিয়েছেন। তাতেও কাজ না হওয়ায় বাসায় নিজ উদ্যোগে টক দই, আদার রস, মেথির রস ছাড়াও নানা উপকরণের মিশ্রণে ‘প্যাক’ বানিয়ে চুলে মাখছেন। কিন্তু ব্যর্থ হচ্ছে সব চেষ্টাই। চুল পড়ছেই আর আপনিও ভাবছেন, এ থেকে রক্ষার বুঝি কোনো উপায় নেই!
উপায় আছে রূপচর্চাবিষয়ক ব্লগার অ্যাম্বার জ্যানিয়েল্লের কাছে। পেঁয়াজ ও রসুন চুল পড়া প্রতিরোধ করে, এ কথা জানার পর ব্যাপারটা পরীক্ষা করে দেখতে চেয়েছিলেন জ্যানিয়েল্লে। ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা এক ভিডিওতে তাঁর ভাষ্য, ‘বলা হয়, চুলের বৃদ্ধিতে পেঁয়াজ ও রসুন দারুণ কাজ করে। কারণ এর মধ্যে প্রচুর সালফার রয়েছে, যা চুল পড়া রোধ করে। বিশেষ করে পেঁয়াজ চুলের ভেঙে যাওয়া রোধ করে প্রাকৃতিকভাবে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে—এ কথা শোনার পর সিদ্ধান্ত নিই নিজেই তা পরীক্ষা করে দেখব।’
জ্যানিয়েল্লে এই পরীক্ষায় পানি, গোলমরিচ ও পেঁয়াজের রস একসঙ্গে মিশিয়ে ‘হেয়ার মাস্ক’ তৈরি করেন। পরীক্ষা শেষে তাঁর দাবি, পেঁয়াজের রস সত্যি সত্যিই চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে! ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা ভিডিওতে সেই ‘হেয়ার মাস্ক’ তৈরির রেসিপি আর প্রস্তুত প্রণালিও বর্ণনা করেছেন জানিয়েল্লে। রেসিপিগুলো হলো, টুকরো করে কাটা বড়সড় একটা পেঁয়াজ, দুই কাপ পানি এবং এক টেবিল চামচ গোলমরিচ।
জ্যানিয়েল্লে এই পরীক্ষায় পানি, গোলমরিচ ও পেঁয়াজের রস একসঙ্গে মিশিয়ে ‘হেয়ার মাস্ক’ তৈরি করেন। পরীক্ষা শেষে তাঁর দাবি, পেঁয়াজের রস সত্যি সত্যিই চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে! ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা ভিডিওতে সেই ‘হেয়ার মাস্ক’ তৈরির রেসিপি আর প্রস্তুত প্রণালিও বর্ণনা করেছেন জানিয়েল্লে। রেসিপিগুলো হলো, টুকরো করে কাটা বড়সড় একটা পেঁয়াজ, দুই কাপ পানি এবং এক টেবিল চামচ গোলমরিচ।
■ প্রস্তুত প্রণালি—
প্রথমে একটি পাত্রে দুই কাপ পানি ও পেঁয়াজের টুকরো ১০ মিনিট সেদ্ধ করুন। এতে পরিস্রাবণ পদ্ধতিতে পেঁয়াজের ভেতরকার রস পানির সঙ্গে মিশে যাবে। সেদ্ধ হয়ে এলে পেঁয়াজের টুকরোগুলো ফেলে দিন। পাত্রের পানি ঠান্ডা হয়ে এলে গোলমরিচ ছেড়ে দিন। এরপর পেঁয়াজের রসমিশ্রিত পানিটুকু বোতলে ঢেলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহার করতে পারেন। নোংরা চুলে এই পানি ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। চুলে মাখানোর পর কিছু একটা দিয়ে চুল ঢেকে রাখুন প্রায় ২ ঘণ্টা। তারপর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। জ্যানিয়েল্লের সেই ভিডিওতে অনেকেই চুল পড়া কমাতে পেঁয়াজের রসের ভূমিকার ইতিবাচক প্রশংসা করেছেন।
প্রথমে একটি পাত্রে দুই কাপ পানি ও পেঁয়াজের টুকরো ১০ মিনিট সেদ্ধ করুন। এতে পরিস্রাবণ পদ্ধতিতে পেঁয়াজের ভেতরকার রস পানির সঙ্গে মিশে যাবে। সেদ্ধ হয়ে এলে পেঁয়াজের টুকরোগুলো ফেলে দিন। পাত্রের পানি ঠান্ডা হয়ে এলে গোলমরিচ ছেড়ে দিন। এরপর পেঁয়াজের রসমিশ্রিত পানিটুকু বোতলে ঢেলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহার করতে পারেন। নোংরা চুলে এই পানি ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। চুলে মাখানোর পর কিছু একটা দিয়ে চুল ঢেকে রাখুন প্রায় ২ ঘণ্টা। তারপর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। জ্যানিয়েল্লের সেই ভিডিওতে অনেকেই চুল পড়া কমাতে পেঁয়াজের রসের ভূমিকার ইতিবাচক প্রশংসা করেছেন।
【13】 আঁচিল দূর করতে ।
শুধু পেঁয়াজের একটি টুকরা দিয়ে ব্যান্ডেজ বাঁধুন। আঁচিলের স্থানে কয়েক দিনের মধ্যে উন্নতি দেখতে পাবেন। প্রতিদিন ব্যান্ডেজ পাল্টাতে ভুলবেন না ।
【14】 বমি কমাতে ।
বমি বমি ভাব বোধ হলে বা বারবার বমি হলে, দুই চামচ পেঁয়াজের রস এবং এরপর এক কাপ মেনথল চা খান। বমি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এর পুনরাবৃত্তি করতে পারেন।
【15】 যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি করে ।
মানুষের যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি করে পেঁয়াজ। প্রতিদিন এক টেবিল চামচ পেঁয়াজ ও এক চামচ আদার রস মিশিয়ে খেয়ে নিন। দিনে তিনবার। আপনার যৌন ইচ্ছা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে।
【16】 কাশিতে উপকারি ।
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিদিন পরিমাণমতো পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে সর্দি–কাশির সমস্যা থাকে না।
【17】 অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা রোধ ।
অ্যানিমিয়া রোধে পেঁয়াজের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রতিদিন পেঁয়াজ খান, গুঁড় ও জল সহযোগে। এর ফলে শরীরে আয়রনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। শরীরে নতুন রক্ত তৈরিতে আয়রনের গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না।
【18】 ক্যান্সার রোধ করে ।
প্রতিদিন পেঁয়াজ খেলে ক্যান্সার রোধ করা সম্ভব। ক্যান্সার কোষগুলো দ্রুত বৃদ্ধি পায়। যা রোধে প্রতিদিন পেঁয়াজ খান। দেখবেন শরীরে একটা ক্যান্সার প্রতিরোধক কোষ তৈরি হয়ে যাবে।
【19】 ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে ।
পেঁয়াজে ক্রোমিয়াম থাকে। যা ব্ল্যাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে। শরীরকে ঠান্ডা রাখে।
শুধু পেঁয়াজের একটি টুকরা দিয়ে ব্যান্ডেজ বাঁধুন। আঁচিলের স্থানে কয়েক দিনের মধ্যে উন্নতি দেখতে পাবেন। প্রতিদিন ব্যান্ডেজ পাল্টাতে ভুলবেন না ।
【14】 বমি কমাতে ।
বমি বমি ভাব বোধ হলে বা বারবার বমি হলে, দুই চামচ পেঁয়াজের রস এবং এরপর এক কাপ মেনথল চা খান। বমি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এর পুনরাবৃত্তি করতে পারেন।
【15】 যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি করে ।
মানুষের যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি করে পেঁয়াজ। প্রতিদিন এক টেবিল চামচ পেঁয়াজ ও এক চামচ আদার রস মিশিয়ে খেয়ে নিন। দিনে তিনবার। আপনার যৌন ইচ্ছা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে।
【16】 কাশিতে উপকারি ।
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিদিন পরিমাণমতো পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে সর্দি–কাশির সমস্যা থাকে না।
【17】 অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা রোধ ।
অ্যানিমিয়া রোধে পেঁয়াজের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রতিদিন পেঁয়াজ খান, গুঁড় ও জল সহযোগে। এর ফলে শরীরে আয়রনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। শরীরে নতুন রক্ত তৈরিতে আয়রনের গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না।
【18】 ক্যান্সার রোধ করে ।
প্রতিদিন পেঁয়াজ খেলে ক্যান্সার রোধ করা সম্ভব। ক্যান্সার কোষগুলো দ্রুত বৃদ্ধি পায়। যা রোধে প্রতিদিন পেঁয়াজ খান। দেখবেন শরীরে একটা ক্যান্সার প্রতিরোধক কোষ তৈরি হয়ে যাবে।
【19】 ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে ।
পেঁয়াজে ক্রোমিয়াম থাকে। যা ব্ল্যাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে। শরীরকে ঠান্ডা রাখে।
【20】 রক্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণ ।
নিয়মিত পেঁয়াজ খেলে রক্ত চলাচল ঠিকঠাক থাকে। যার ফলে হার্টের অসুখের সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।
【21】 দাঁতের সংক্রমণ রোধ ।
দাঁতের সংক্রমণ রোধ করতেও পেঁয়াজের জুরি মেলা ভার। ২–৩ মিনিট পেঁয়াজ চিবিয়ে খান। ফলে দাঁতে লুকিয়ে থাকা জীবাণুগুলো মরে যাবে। সংক্রমণের সম্ভাবনাও কমবে।
【22】 দেহের তাপমাত্র কমায়।
জ্বরে দেহের তাপমাত্রা বেশি থাকলে পাতলা করে কাটা পেঁয়াজ কপালে রাখলে কিছু ক্ষণের মধ্যে তাপমাত্রা কমিয়ে দেবে।
【23】 নাক থেকে রক্ত পড়া বন্ধ ।
গ্রীষ্মে বা শীতে অনেকের নাক থেকে রক্তপাত হয়। যদি এ সময়ে কাছাকাছি পেঁয়াজ থাকে তাড়াতাড়ি কেটে তার ঘ্রাণ নিতে থাকুন। রক্তপাত কমে যাবে বা একেবারে বন্ধ হয়ে যাবে।
【24】 ত্বকের সমস্যা মেটায় ।
পোকামাকড়ের কামড় হোক, বা রোদে পোড়া ট্যান, কিংবা ব্রণ-ফুস্কুরি, এ সবের সমস্যা থাকলে সে সমস্ত জায়গায় একটু পেঁয়াজের রস লাগান। একটু কুটকুট করতে পারে, তবে দ্রুত কাজ করবে।
【25】 হৃদয় এবং হাড় ভালো রাখে ।
হাড়ের কঠিন ব্যারাম অ্যাথেরসক্লেরোসিস এবং অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগের সঙ্গে লড়ে। তার সঙ্গে দেহে খারাপ কোলেস্ট্রল কমায়। যার ফলে আপনার হার্ট সুস্থ থাকে।
নিয়মিত পেঁয়াজ খেলে রক্ত চলাচল ঠিকঠাক থাকে। যার ফলে হার্টের অসুখের সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।
【21】 দাঁতের সংক্রমণ রোধ ।
দাঁতের সংক্রমণ রোধ করতেও পেঁয়াজের জুরি মেলা ভার। ২–৩ মিনিট পেঁয়াজ চিবিয়ে খান। ফলে দাঁতে লুকিয়ে থাকা জীবাণুগুলো মরে যাবে। সংক্রমণের সম্ভাবনাও কমবে।
【22】 দেহের তাপমাত্র কমায়।
জ্বরে দেহের তাপমাত্রা বেশি থাকলে পাতলা করে কাটা পেঁয়াজ কপালে রাখলে কিছু ক্ষণের মধ্যে তাপমাত্রা কমিয়ে দেবে।
【23】 নাক থেকে রক্ত পড়া বন্ধ ।
গ্রীষ্মে বা শীতে অনেকের নাক থেকে রক্তপাত হয়। যদি এ সময়ে কাছাকাছি পেঁয়াজ থাকে তাড়াতাড়ি কেটে তার ঘ্রাণ নিতে থাকুন। রক্তপাত কমে যাবে বা একেবারে বন্ধ হয়ে যাবে।
【24】 ত্বকের সমস্যা মেটায় ।
পোকামাকড়ের কামড় হোক, বা রোদে পোড়া ট্যান, কিংবা ব্রণ-ফুস্কুরি, এ সবের সমস্যা থাকলে সে সমস্ত জায়গায় একটু পেঁয়াজের রস লাগান। একটু কুটকুট করতে পারে, তবে দ্রুত কাজ করবে।
【25】 হৃদয় এবং হাড় ভালো রাখে ।
হাড়ের কঠিন ব্যারাম অ্যাথেরসক্লেরোসিস এবং অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগের সঙ্গে লড়ে। তার সঙ্গে দেহে খারাপ কোলেস্ট্রল কমায়। যার ফলে আপনার হার্ট সুস্থ থাকে।
THANK YOU ALL.
A N I .
A N I .



No comments